২০১৭তে ওয়ানডের সেরা উইকেট শিকারি হাসান আলী। ছবি: ক্রিকইনফোবেশ কয়েক দিন ধরেই ভালো ক্রিকেট খেলছে পাকিস্তান। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের পর ধার বেড়েছে পাকিস্তানের। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ছন্দ ধরে রেখেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এখনো পর্যন্ত ৪-০-তে এগিয়ে তারা। এমন পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ মনে করেন তাঁদের বোলিংটা বিশ্বসেরাই।
পাকিস্তান অধিনায়কের পক্ষে কথা বলছে দলের বোলারদের পরিসংখ্যানই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১৭ রান করেছিল ভারত। এরপর পাকিস্তানি বোলিংয়ের সামনে রান উঠেছে সর্বোচ্চ ২৩৬। এই সময় ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের মতো দলের মুখোমুখি হয়েছে তারা, হারিয়েছে সবাইকেই। দলের প্রধান বোলার হাসান আলী তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে আইসিসির ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন। অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠা মোহাম্মদ হাফিজও বোলিং পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে কিপটে বোলারে পরিণত হয়েছেন; ইকোনমি রেট ৩.৩০। মোহাম্মদ আমির, শাদাব খান ও রুম্মন রইসকে নিয়ে বোলিং আক্রমণটা বেশ শক্তিশালীই দেখাচ্ছে পাকিস্তানের।
নিজের বোলিংকে বিশ্বসেরা ভাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সরফরাজ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আপনি তা বলতে পারেন...বোলারদের প্রশংসা করতেই হয়। বিশেষ করে হাসান আলীর; সে মাত্রই র্যাঙ্কিংয়ের সেরা হয়েছে। শাদাবসহ উসমান, রুম্মন, জুনায়েদ সবাই ভালো বল করছে।’
ধূমকেতুর মতো উত্থান হয়েছে পেসার হাসান আলীর। ৪৩ উইকেট নিয়ে ২০১৭তে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন। এই বছর ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন ৩ বার। ১৩ উইকেট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন, জিতেছিলেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। দলের সেরা বোলারকে কৃতিত্ব দিতে কার্পণ্য করেননি সরফরাজ, ‘তাঁর (হাসান) বোলিংয়ের সেরা দিক হলো তাঁর আক্রমণাত্মক মনোভাব। সে সব সময়ই উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করে, অন্যদের পরামর্শ নেয়। সে আক্রমণ করতেই থাকে। সে দিনে দিনে উন্নতি করছে।’
নির্বাচক এবং কোচদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সরফরাজ। দলের সিনিয়ররা ভালো খেলছে। এমন ভালো সময়ে যেই সুযোগ পাচ্ছে দলে অবদান রাখার চেষ্টা করছে। আর দলীয় পারফরম্যান্সেরই পুরস্কার পাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট।
নিজের বোলিংকে বিশ্বসেরা ভাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সরফরাজ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আপনি তা বলতে পারেন...বোলারদের প্রশংসা করতেই হয়। বিশেষ করে হাসান আলীর; সে মাত্রই র্যাঙ্কিংয়ের সেরা হয়েছে। শাদাবসহ উসমান, রুম্মন, জুনায়েদ সবাই ভালো বল করছে।’
ধূমকেতুর মতো উত্থান হয়েছে পেসার হাসান আলীর। ৪৩ উইকেট নিয়ে ২০১৭তে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন। এই বছর ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন ৩ বার। ১৩ উইকেট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন, জিতেছিলেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। দলের সেরা বোলারকে কৃতিত্ব দিতে কার্পণ্য করেননি সরফরাজ, ‘তাঁর (হাসান) বোলিংয়ের সেরা দিক হলো তাঁর আক্রমণাত্মক মনোভাব। সে সব সময়ই উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করে, অন্যদের পরামর্শ নেয়। সে আক্রমণ করতেই থাকে। সে দিনে দিনে উন্নতি করছে।’
নির্বাচক এবং কোচদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সরফরাজ। দলের সিনিয়ররা ভালো খেলছে। এমন ভালো সময়ে যেই সুযোগ পাচ্ছে দলে অবদান রাখার চেষ্টা করছে। আর দলীয় পারফরম্যান্সেরই পুরস্কার পাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট।

No comments:
Post a Comment